আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি - গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ পদ্ধতি

প্রিয় পাঠক আপনি কি আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে খুঁজে বেড়াচ্ছেন। কবে কোথায় সঠিক তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন না। চিন্তার কোন কারণ নেই কারণ আজকের পোস্টটিতে আমরা আপনাদের জন্য আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি ও গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরব। তাই আপনি আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি
পোস্টসূচিপত্রঃটমেটোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এছাড়াও টমেটো অনেক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর থাকে। তাহলে চলুন এখন বেশি দের না করে এখন আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারি আলোচনায় যাওয়া যাক।

ভূমিকা

টমেটো অনেক ভিটামিনে ভরপুর থাকে। এই টমেটো সাধারণত সালাদ আকারে বেশি পরিমানে খাওয়া হয়ে থাকে। যার কারণে টমেটো চাষ বাণিজ্যিকভাবে করা হয় আবার টমেটো আপনি আপনার বাড়ির বেলকনিতেও চাষ করতে পারবেন। এই সবজির বাজারে অনেক পরিমাণে চাহিদা রয়েছে। আর শীতকালে এই সবজি অনেক ভালো পরিমাণে চাষ করা হয়ে থাকে।

আপনি যদি আজকের এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকেন তাহলে আপনি  আধুনিক পদ্ধতিতে টমেটো চাষ, গ্রীষ্মকালে টমেটো চাষের সময়, গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ পদ্ধতি, টমেটো চাষ এবং রোগ প্রতিরোধ এবং টমেটো চাষ পদ্ধতি পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। চলুন তাহলে এখন টমেটো চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি

টমেটোর আগাম চাষ করার মাধ্যমে কৃষকগণেরা অনেক সফলতা লাভ করছেন। টমেটোর আগাম চাষ করার মাধ্যমে এর দাম বাজারে অনেক ভালো পরিমাণে পাওয়া যায়। তাই সকল কৃষকগণ টমেটোর আগাম চাষের জন্য দিন দিন অনেক আগ্রহি হয়ে পরতেছেন। তাহলে চলুন এখন আমরা আগাম টমেটো চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।

আগাম টমেটো চাষ করার জন্য প্রথমে টমেটোর জাত নির্বাচন করতে হবে। ফসলের একটি ভালো জান ভালোমানের ফলন দিতে সক্ষম। তাই নিম্নে কিছু টমেটোর উন্নত জাতের কথা উল্লেখ করা হলো। এর মধ্যে থেকে আপনি যেকোন একটি অথবা দুইটি জাত নির্বাচনের মাধ্যমে আপনি টমেটোর আগাম জাতের চাষ করতে পারবেন। টমেটোর কিছু আগাম জাত হলোঃ
  • বিনা টমেটো ৩
  • বিনা টমেটো ৪
  • বারি টমেটো ৪
  • বারি টমেটো ৫
  • বারিটমেটো ৬ যার নাম অনেকে "চৈতী" বলেও উল্লেখ করে থাকেন।
আগাম টমেটো চাষের জন্য বীজতলা তৈরিঃ আগাম টমেটো চাষ করার জন্য এর বীজতলার পরিমান ২০ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার উচ্চতা রাখতে হবে। আর যদি অনেক বীজতলা হয় তাহলে দুইটি বীজতলার মাঝ বরাবর কম্পক্ষে ৩০ সে.মি. চওড়া একটি নালা রাখতে হবে।

চারা রোপন পদ্ধতিঃ চারা রোপন করার জন্য কমপক্ষে ২৫-৩০ দিন বয়সের চারা সংগ্রহ করতে হবে। আর চারা প্রতিটি বেডের জন্য ২টি সারি করে রোপন করতে হবে। আর খেয়াল রাখতে হবে প্রতিটি সারির দূরত্ব ৬০সেমি. থাকে এবং প্রতিটি চারার দুরত্ব ৪০ সেমি. রাখতে হবে। তাহলে অনেক ভালো হবে।

আগাম ফসল উৎপাদনঃ আগাম টমেটো সাধারণত গ্রীষ্মকালীন সময়ে করা হয়। এই সময়ে টমেটোর ভালো চাষের জন্য "টমাটোটোন" নামক হরমন স্প্রে করার প্রয়োজন হয়। এই হরমোন যখন টমেটোর ফুল ফোটে সে সময় ৮-১০ দিন ধরে স্প্রে করতে হয়। এই "টমাটোটোন" দ্বারা ফসল উৎপাদন করলে ফসলের বীজ হয় না। এবং টমেটো দেখতে অনেক আকর্ষণীয় হয়।

টমেটোর রোগ দমনঃ টমেটোর সাধারণত ৩ টি রোগ রয়েছে। যেইটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই রোগে আক্রমণ করলে সেই গাছকে সাধারণত ধ্বংস করে ফেলতে হয়। চলুন তাহলে এখন আমরা টমেটোর ৩টি গুরুত্বপূর্ণ রোগ সম্পর্কে জেনে নেই।

ঢলে পড়া রোগঃ এই রোগ সাধারণত গাছে ফুল আসার আগেই আক্রমণ করে। এই রোগে আক্রান্ত গাছ ঢলে পরে। এই রোগে আক্রেন্ত গাছকে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। আর তা না হলে পরবর্তিতে এই রোগ সকল গাছে ছড়িয়ে পরে গাছকে মেরে ফেলবে।

মোজাইক রোগঃ এই রোগে আক্রেন্তকৃত গাছকেউ যত দ্রুত সম্ভব ধ্বংস করে ফেলতে হবে। আর তা হলে অন্য সকল গাছে এই রোগ সহজেই ছড়িয়ে পরবে। এই রোগের আক্রমণ কিছু বৈশিষ্ট্য দেখে বুঝতে পারবেন সেগুলি হলোঃ গাছের পাতে কুকুরে যাবে, গাছ এবং ফলের বৃদ্ধি পাওয়া ব্যহত হয়ে যাবে ইত্যাদি।

ফিউজেরিয়াম উইল্ট রোগঃ এই রোগটি মাটির মাধুমে ছড়ায়। এই রোগে গাছে আক্রমন করলেও আক্রান্ত গাছ সহজেই ঢলে পরে। এবং পাতা হলুদ বর্ণ ধারণ করে এবং পাতা বেকে বেকে যায়। এই রোগে আক্রান্ত গাছকেউ ধ্বংস করে ফেলতে হয়। না হলে বাগানের সকল গাছকেই নষ্ট করে ফেলতে হবে।

টমেটো সংগ্রহ ও সংরক্ষণঃ টমেটোর চারা রোপনের সাধারণত ২-৩ মাস পর থেকেই ফল সংগ্রহ করা যাবে। টমেটো রঙিন নয় এমন টমেটো সংগ্রহ করতে হবে। এই রকম ট্মেটো ১০ থেকে ১৫.৫০ সে. তাপে ১মাস পর্যন সংরক্ষণ করা যায়। আর পাকা টমেটো ৫০০ সে. তাপে ১০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করে রাখা যায়।

গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের সময়

আগামজাত টমেটোর চাষ গ্রীষ্মকালেই করা হয়। কারণ আমরা সকলেই জানি শীতকালে টমেটো চাষ করা হয়। আর যদি আগাম টমেটো চাষ করা হয় তাহলে বাজারে টমেটোর অনেক ভালো মূল্য পাওয়া যায়। যার ফলে কৃষকগণ অনেক খুশি হন। তাই তারা সকলেই এখন আগাম টমেটোর চাষ করার জন্য অনেক আগ্রহী। যার ফলে তারা সকলে এখন টমেটো চাষ পদ্ধতি জানতে চান।
গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের সময় হলো এপ্রিল মাসের শুরুতে। এই এপ্রিল মাসের শুরুতে যদি টমেটো চাষ করা হয় তাহলে এই টমেটোর ফলন ৬০-৭০ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। আর এই ফলন পাওয়া যায় নভেম্বর পর্যন্ত। আর এই গ্রীষ্মকালীন টমেটো নভেম্বর পর্যন্ত পাওয়ার পরেই এর পর পর দিয়ে শীতকালিন টমেটো চাষ করা হয়। ফলে এখন টমেটোর চাষ সারা বছরই চাষ করা হয় এবং পাওয়া যায়।

গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ পদ্ধতি

আমরা সকলেই ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে টমেটো হলো এক ধরণের সালাদ জাতীয় ফসল। আর এই ফসল অনেক উপকারি। টমেটোতে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি উপাদান পাওয়া যায়। এই ফসল সিজিন ছাড়া অগ্রিম চাষের মাধ্যমে বাজারে অনেক দাম পাওয়া যায়। বাজারে অনেক চাহিদা থাকার ফলে ভালো দামের মাধ্যমে কৃষকগণ অনেক লাভোবান হয়ে থাকেন। যার ফলে সকলেই এখন গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চান।

তাহলে চলুন এখন গ্রীষ্মকালে টমেটো চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। টমেটো চাষের ক্ষত্রে আগে ভালো ফলন পাওয়ার পূর্ব শর্ত হলো ভালোমানের জাত নির্বাচন। নিম্নে কিছু গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করার জন্য টমেটোর জাতের কথা উল্লেখ করা হলো।
  • বিনাটমেটো ৩
  • বিনাটমেটো ৪
  • বারিটমেটো ৪
  • বারিটমেটো ৫
  • বারিটমেটো ৬ অথবা চৈতী।
এইখান থেকে আপনি যেকোন একটি অথবা দুইটি জাত নির্বাচন করে আপনি চাষ করতে পারেন।
বীজতলা তৈরিঃ  গ্রীষ্মকালে টমেটো চাষ পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করার জন্য এর বীজতলা উচ্চতার পরিমাণ ২০-২৫ সেমি. রাখতে হবে।

চারা রোপণ পদ্ধতিঃ বেডে চারা চাষ করার জন্য প্রতিটি চারার বয়স কমপক্ষে ২৫-৩০ দিন বয়স হতে হবে। প্রতিটি সারির দূরুত্ব ৬০ সেমি. রাখতে হবে। আর প্রতিটি চারার দূরুত্ব ৪০ সেমি. রাখতে হবে।

রোগ বালাই ও পোকা দমনঃ টমেটো গাছে দুই ধরণের পকা দেখতে পাওয়া যায়। ১. শোষক পোকা, ২. জাব পোকা। এই দুই ধরণের পোকাই টমেটো গাছের জন্য অনেক মারাত্বক। এই সকল পোকা খুব সহজেই গাছের ভেতরের রস শোষণ করে নেয়। তাই এই সকল পোকা দমনের জন্য অবশ্যই ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আর বাকি সকল কিছু টমেটো চাষ পদ্ধতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখান থেকে আপনি ভালো করে পড়লে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে ও জানতে পারবেন। সকল কিছু একই রকমের। এছারা যেকোন ধরণের সমস্যা হলে আপনার নিকটস্থ কৃষি কর্মকর্তার নিকট যোগাযোগ করার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে পারবেন।

টমেটো চাষ ও রোগ প্রতিরোধ

এখন আমরা সকলেই টমেটো চাষ এবং রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। কারণ টমেটোর অনেক ধরণের রোগ হয়। আর এই সকল ধরণের রোগের যদি প্রতিরোধ করা না হয় তাহলে আমরা কাঙ্খিত ফলন লাভ করতে পারবো না। তাহলে চলুন এখন আমরা টমেটো চাষ এবং রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।

টমেটোর সাধারণত ৭ ধরণের রোগ হয়ে থাকে। যেটা অনেক মারাত্বক হয়। টমেটোর এই রোগগুলিহলো
  • গোড়া ও মূল পচা রোগ
  • আগাম ধসা রোগ
  • নাবি ধসা রোগ
  • ঢলে পড়া রোগ
  • পাতা কুঁকড়ানো রোগ
  • হলুদ মোজাইক রোগ
  • শিকড় গিট
চলুন এখন এই সকল রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। আর কিভাবে প্রতিরোধ করা যাবে সেগুলি ও জেনে নেওয়া যাক।

গোড়া ও মূল পচা রোগঃ এই রোগ বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। তার মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য কারণগুলি হলো পিথিয়াম, রাইজোকটোনিয়া, ক্লেরোশিয়াম এছাড়াও বিভিন্ন মাটিবাহিত ছত্রাকের আক্রমণের কারণে হয়ে থাকে।

রোগ বিস্তারের লক্ষণ
  • বীজতলার মাটি ভেজা বা স্যাতস্যাতে থাকেলে এই রোগ আক্রমণ করে।
  • বীজে আক্রমণ করলে বীজতলার বীজ পচে যায়।
  • বীজ গোজানোর পরেই চারা গাছ মারা যায়।
  • চারার মূলের অংশ অর্থাৎ মাটির কাছাকাছি চিকন হয়ে পচে যায়।
  • চারার মূলের উপরের অংশ চিকন হয়ে যায়, যার ফলে গাছে ঢলে পরে ও মারা যায়।
রোগ প্রতিরোধঃ এই রোগ প্রতিরোধ করার জন্য নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে।বীজ তলাতে যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো বাতাস প্রবেশ করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।রোগমুক্ত বীজ রোপন করতে হবে।

আর সকল ধরণের পরামর্শ আপনি আপনার নিকটস্থ কৃষিকর্মকর্তার নিকট থেকে গ্রহণ করবেন। তারা আপনাকে যে পরামর্শ প্রদান করে সেগুলি গ্রহণ করবেন। তাহলে আপইনি খুব দ্রুত সফলতার সাথে আগাম টমেটো চাষ করে উন্নত করতে পারবেন।

টমেটো চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্নঃ টমেটো চাষ করতে কতদিন লাগে?
উত্তরঃ টমেটো চাষ করতে সাধারণত ৫০-৮০ দিন সময় লেগে থাকে।

প্রশ্নঃ কোন ঋতুতে টমেটো চাষ করা ভালো
উত্তরঃ টমেটো সাধারণত খুব ঠান্ডা বা অপরিযাপ্ত গরমে চাষ করা হয় না। তাই সকলেই মে মাসের প্রথম দিকে টমেটোর চারা রোপনের পরামর্শ প্রদান করে থাকেন।

প্রশ্নঃ টমেটোর বীজ কতদিন থাকে
উত্তরঃ টমেটোর বীজ যদি খুব ভালো করে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায় তবে সেটি কমপক্ষে ৫ বছর সংরক্ষণ করে রাখা যায়।

প্রশ্নঃ টমেটো সবুজ হলে কি তোলা যায়?
উত্তরঃ টমেটো সবুজ বা একটু হলুদ হলেই সেটি জমি থেকে উত্তলন করা যেতে পারে।

প্রশ্নঃ টমেটোতে কত ক্যালরি থাকে?
উত্তরঃ একটি সাধারণ বড় আকারের টমেটোতে 22 ক্যালোরি থাকে।

প্রশ্নঃ টমেটোতে কি কি ভিটামিন আছে?
উত্তরঃ টমেটোতে ফোলেট, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং পটাসিয়াম রয়েছে।

প্রশ্নঃ চেরি টমেটোতে কত ক্যালরি
উত্তরঃ ১০০ গ্রাম চেরি টমেটোতে ২৫ ক্যালরি রয়েছে। এবং তার পাশাপাশি প্রোটিন রয়েছে ১ গ্রাম। এতে চর্বির উপস্থিতি নেই।

শেষ কথা ।আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি 

আজকে আমাদের এই আর্টিকেলের প্রধান আলচনার বিষয় ছিল আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে। আশা করছি আপনি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার মাধ্যমে টমেটো চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং বুঝতে পেরেছেন। এই রকম তথ্যবহুল আর্টিকেল প্রতিদিন পড়ার জন্য নিয়োমিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url