কাজ না করে ইনকাম বিকাশে প্রতিদিন পেমেন্ট নেওয়ার উপায় (প্যাসিভ ইনকাম)

প্রিয় বন্ধুরা আপনারা অনেকেই কাজ না করে ইনকাম করতে চেয়ে থাকেন। তাদের জন্য আমরা আজকের এই পোস্টে কাজ না করে ইনকাম বিকাশে প্রতিদিন পেমেন্ট নেওয়ার উপায় গুলো আলোচনা করব। আপনি কোন কাজ করা ছাড়াই কিভাবে টাকা ইনকাম করবেন সেই উপায়গুলো আজকের পোস্টে তুলে ধরা হবে। 
কাজ না করে ইনকাম বিকাশে প্রতিদিন
আর্টিকেল সূচিপত্রঃবর্তমানে সকলেই ঘরে বসে কোনরকম কাজ না করেই অনলাইন থেকে আয় করতে চায়। তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি হতে যাচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যারা কাজ না করে ইনকাম করতে চায়, তাদের কথা বিবেচনা করে আমরা এখন কাজ না করে টাকা ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব।

ভূমিকা

বর্তমানে পৃথিবীতে সকলেই চাই খুব সহজে টাকা ইনকাম করতে। তবে টাকা ইনকাম করার বিষয়টি বর্তমানে সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই যেকোন উপায়ে টাকা আয় করা সম্ভব হচ্ছে। পৃথিবীতে অনেক অলস ব্যক্তি রয়েছে যারা কোন কাজ করা ছাড়াই টাকা ইনকাম করতে চায়। তারা চাইলে অনলাইনে ঘরে বসেই টাকা ইনকাম করতে পারবে। আর এই আজকের পোস্ট আমরা কাজ না করে ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব। 
যেখানে আপনারা কাজ করে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ইনকাম করে বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবেন। অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ছোটখাট কাজ পাওয়া যায়, যেখানে তেমন একটা কাজ করতে হয় না। অল্প কাজ করলেই টাকা পেমেন্ট পাওয়া যায়। চলুন আর কথা না বাড়িয়ে কাজ না করে ইনকাম করার উপায় গুলো জেনে নেই।

কাজ না করে ইনকাম বিকাশে প্রতিদিন

আধুনিক এই যুগে কোন কিছুই অসম্ভব নয়, বর্তমানে এই যুগে কাজ না করেও টাকা ইনকাম করা যায়। অনলাইনে আপনি ঘরে বসে কাজ না করেও টাকা আয় করতে পারবেন। তবে আপনাকে প্রথম দিকে কিছু কাজ করতে হবে, সেই কাজগুলো করে আপনি পরবর্তীতে অল্প অল্প করে কাজ করার মাধ্যমে অনলাইনে টাকা আয় করতে পারবেন। 
তবে আপনাদের কাজ না করে টাকা ইনকাম করার উপায়টি ভালোভাবে জানতে হবে। তাই আমরা এখন কাজ না করে ইনকাম বিকাশে প্রতিদিন নেওয়ার উপায় তুলে ধরার চেষ্টা করব। চলুন কাজ না করে ইনকাম করার উপায় গুলো জেনে নেই।
  • ওয়েবসাইট ক্রয় করে ইনকাম
  • ক্রিপ্টো কারেন্সি কয়েন মাইনিং করে ইনকাম
  • ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা ইনকাম
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্যাসিভ ইনকাম
  • বাইনান্স এক্সচেঞ্জার থেকে টাকা ইনকাম
  • ই-বুক রাইটিং করে ইনকাম
  • অনলাইন ট্রেডিং করে ইনকাম
  • Youtube চ্যানেল থেকে ইনকাম
  • ইনভেস্টমেন্ট সাইটে টাকা ইনভেস্ট করে ইনকাম
আপনারা উপরের দেখানো উপায় গুলো অবলম্বন করে কাজ না করেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে এখানে আপনাকে সামান্য পরিমাণ কাজ করতে হবে। মূলত সব কাজের ক্ষেত্রে প্রথম দিকে কিছু পরিমাণ কাজ করতে হয়। এরপর থেকে কোন কাজ না করেই সহজেই অনলাইন থেকে টাকা আয় করা যায়। চলুন আর কথা না বাড়িয়ে উপরে দেখানো উপায় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।

ওয়েবসাইট ক্রয় করে ইনকাম - কাজ না করে ইনকাম 

আপনারা চাইলে ওয়েবসাইট ক্রয় করে কোন কাজ না করেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাছাড়াও কাজ না করে ইনকাম করার বিষয়টি অনেকটা প্যাসিভ ইনকামের মতো হয়ে যায়। প্যাসিভ ইনকাম মূলত হল কিছুদিন কাজ না করে টাকা ইনকাম করা। ধরুন আপনার একটু ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে আপনি অনেকদিন কাজ করে টাকা ইনকাম করছেন। 
হঠাৎ আপনি ওয়েবসাইটে কিছুদিন কাজ করা বন্ধ করে দিলেন, সেক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইট থেকে তবুও ইনকাম হতে থাকবে। আর এই কাজ না করে ইনকাম করাকে প্যাসিভ ইনকাম বলা হয়ে থাকে। আপনি একটি রেডিমেট ওয়েবসাইট ক্রয় করে সেখানে তেমন কাজ না করে প্রতিদিন ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ওয়েবসাইট বিক্রি করে থাকে, আপনারা তাদের কাছ থেকে ওয়েবসাইট ক্রয় করে সামান্য কিছু কাজ করে প্রতিদিন অনলাইনে টাকা আয় করতে পারবেন। 

তাই আমরা বলব আপনি যদি কাজ না করে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে ওয়েবসাইট ক্রয় করতে পারেন। আর ওয়েবসাইটে সাধারণত আর্টিকেল লিখতে হয়। সেক্ষেত্রে আপনি আর্টিকেল রাইটার দিয়ে পোস্ট লিখে নিতে পারেন এবং সেটি ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে প্রতিদিন কোন কাজ না করেই টাকা ইনকাম করে বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবেন। 

আপনারা হয়তো জানেন যে পৃথিবীতে টাকা ইনকাম করতে হলে সামান্য হলেও কাজ করতে হয়। এখানেও আপনাকে ওয়েবসাইটে কিছু কাজ করতে হবে। এভাবে আপনি ওয়েবসাইট ক্রয় করে কাজ না করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ক্রিপ্টো কারেন্সি কয়েন মাইনিং করে ইনকাম

বর্তমানে কিপটো কারেন্সি কয়েন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ক্রিপ্টো কারেন্সি কয়েন গুলো মাইনিং করে আপনারা টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে প্রায় বিভিন্ন ধরনের কোম্পানি তাদের ভার্চুয়াল কয়েন লঞ্চ করার জন্য মাইনিং অপশন চালু করে থাকে। কোম্পানিগুলো তাদের ডিজিটাল কয়েন গুলো বাজারে ছাড়ার জন্য মাইনিং করার অপশন দেয়। এতে করে মাইনিং করার মাধ্যমে অনেকেই সেই কয়েন গুলো থেকে ইনকাম করতে পারে। 
যেমন বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টো কারেন্সি কয়েন হলো বিটকয়েন। এই বিটকয়েন লঞ্চ হওয়ার পূর্বে বিটকয়েন মাইনিং করা যেত। সেই সময়ে বিটকয়েনিং মাইনিং করে অনেকেই ভালো ইনকাম করেছিল। বর্তমানে বিটকয়েনের দাম প্রায় ৫৬ হাজার ডলার। তাহলে বুঝতে পারছেন তখন যারা মাইনিং করেছিল তারা কি পরিমান ইনকাম করেছে। এমনভাবে বর্তমানে কোম্পানিগুলো তাদের কয়েন লঞ্চ করার জন্য মাইনিং অপশন দিয়ে থাকে। 

আপনারা তাদের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে মাইনিং করতে পারেন। মাইনিং করা কয়েন গুলো পরবর্তীতে ডলারে কনভার্ট করে পেমেন্ট নেওয়া যায়। মাইনিং করতে কোন কাজ করার প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র মাইনিং অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে একাউন্ট রেজিস্টার করে রেখে দিতে হয়। আর মাইনিং প্রতিদিন অটোমেটিক হতে থাকে আর কয়েন একাউন্টে জমা হয়। তাছাড়া অনেকগুলো মাইনিং অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে যেখানে অ্যাপ্লিকেশন গুলোতে প্রবেশ করে প্রতিদিন মাইনিং অপশন চালু করতে হয়। 

আর মাইনিং অপশন চালু করার জন্য শুধুমাত্র মাইনিং অপশনটিতে ক্লিক করতে হয়। তাহলে বুঝতে পারছেন আপনি কোন কাজ করা ছাড়াই মাইনিং করে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। আপনারা প্রতিটি মাইনিং সাইট গুলোতে কাজ করবেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর ভালো ধরনের পেমেন্ট পাবেন। যারা মূলত কাজ না করে ইনকাম করতে চান তারা প্রতিটি কয়েন মাইনিং সাইট অথবা অ্যাপ্লিকেশন গুলোতে কাজ করতে পারেন। 

তবে অনেকগুলো ভুয়া কয়েন মাইনিং অ্যাপ রয়েছে, সেই সকল অ্যাপ গুলো থেকে সাবধান থাকবেন এবং সঠিক মাইনিং অ্যাপ্লিকেশন গুলোতে মাইনিং করবেন। বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাইনিং সাইট হল Satoshi app। এই অ্যাপ্লিকেশনে অলরেডি অনেকেই মাইনিং করে পেমেন্ট পেয়েছে। বর্তমানে এই অ্যাপ্লিকেশনে আরেকটি কয়েনের মাইনিং চালু রয়েছে, আপনারা সেই মাইনিং করে ইনকাম করতে পারেন।

ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা ইনকাম

আপনারা যারা কাজ না করে ইনকাম করতে চান তারা চাইলে ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা রেখে আয় করতে পারেন। বর্তমানে ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা রাখলে নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রতি মাসে টাকা পাওয়া যায়। তাছাড়া ব্যাংকগুলোতে সঞ্চয় করার সিস্টেম রয়েছে। এখানে ব্যাংকগুলোতে আপনি পারিবারিক সঞ্চয় করতে পারবেন। 
আর এই পারিবারিক সঞ্চয়ে আপনি ব্যাংকে টাকা জমা রেখে প্রতি মাসের নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ পাবেন। মূলত আপনার ব্যাংকে জমাকৃত টাকার উপর নির্ভর করে লাভ দেওয়া হবে। এই লাভের পরিমাণ প্রতিটি ব্যাংক আলাদা আলাদা দিয়ে থাকে। তাই আপনারা যদি কাজ না করে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে ব্যাংকে সঞ্চয় বা কিস্তি করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্যাসিভ ইনকাম

আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও কাজ না করে ইনকাম করতে পারবেন। আপনি কোন কোম্পানির পণ্য বিক্রি করে দেওয়ার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন। আপনার যদি একটি ফেসবুক পেজ অথবা ওয়েবসাইট থাকে সেখানে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য প্রমোশন করে দিয়ে বিক্রি করে দেওয়ার মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। 

আপনি যদি এখানে তাদের পণ্য বিক্রি করে দিতে পারেন তাহলে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা কমিশন পাবেন। এখানে আপনাকে তেমনভাবে কোন কাজ করতে হচ্ছে না, শুধুমাত্র আপনার ওয়েবসাইটে অথবা ফেসবুক পেজে তাদের পণ্যের রিভিউ কিংবা পণ্যের প্রমোশন করে দিলেন। এখন সেই পণ্যের প্রমোশন থেকে কোন ব্যক্তি পণ্যটি ক্রয় করলে আপনি সেখান থেকে কিছু পরিমাণ টাকা কমিশন পাবেন। 
অর্থাৎ আপনার প্রমোশনকৃত পণ্য যত মানুষ ক্রয় করবে তত আপনার ইনকাম বাড়িতে থাকবে। তাহলে এখানে আপনি কোন কাজ না করেই ঘরে বসেই অনলাইনে টাকা আয় করতে পারছেন। তবে আপনাকে প্রথম থেকে পণ্যের প্রমোশন করার জন্য কিছু কাজ করতে হবে।

বাইনান্স এক্সচেঞ্জার থেকে টাকা ইনকাম

বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টো কারেন্সি এক্সচেঞ্জার প্ল্যাটফর্ম হল বাইনান্স। বাইন্যান্স এক্সচেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশনে আপনি বিভিন্নভাবে অনলাইনে টাকা আয় করতে পারবেন। তাছাড়াও এই বাইনান্স অ্যাপ্লিকেশনে বিভিন্ন কারেন্সির কয়েন কিনে জমা রাখার মাধ্যমে কোন কাজ করা যায় টাকা আয় করা যায়। এখানেও আপনি ব্যাংকের মতো কয়েন জমা রেখে অনলাইনে ফ্রিতে ইনকাম করতে পারবেন। তবে এখানে বাইনান্সে কয়েন জমা রেখে খুব কম পরিমাণে টাকা আয় করা যায়। 

তবে আপনার কয়েন জমার পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে এখান থেকে আপনি বেশি টাকা আয় করতে পারবেন। এখানে আপনাকে কোন কাজ করতে হচ্ছে না শুধুমাত্র ভার্চুয়াল কয়েন একাউন্টে জমা রেখে দিচ্ছেন। আর প্রতিদিন আপনাকে সেই কয়েনের বিনিময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ দেওয়া হচ্ছে। বাইনান্স থেকে আয় করার জন্য আপনাকে Earn অপশনে ক্লিক করতে হবে। 

এবার আপনার একাউন্টে থাকা কয়েন গুলো আর্ন অপশনে জমা রেখে দিতে হবে। তবে সেক্ষেত্রে আপনার একাউন্টে কিন্তু ভার্চুয়াল কয়েন থাকতে হবে। তাই আপনাদের সেই কয়েন গুলো কিনতে হবে বাইনান্স এক্সচেঞ্জার থেকে। সেক্ষেত্রে আপনাকে এই প্ল্যাটফর্মে টাকা ইনভেস্ট করতে হচ্ছে। এভাবে আপনি টাকা ইনভেস্ট করে কোন কাজ না করেই অনলাইনে টাকা আয় করতে পারবেন।

ই-বুক রাইটিং করে ইনকাম

আপনি যদি ই-বুক রাইটিং এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তাহলে ইবুক রাইটিং করে ডিজিটাল প্লাটফর্মে ইবুক বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে ই-বুক বিক্রি করার বিভিন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্ম রয়েছে, সেখানে আপনার তৈরিকৃত ই-বুকটি বিক্রি করার মাধ্যমে কোন কাজ না করে টাকা আয় করতে পারবেন। তাই আপনি যদি প্যাসিভ ইনকাম করতে চান তাহলে ই-বুক রাইটিং করতে পারেন। 
প্রথম দিকে আপনাকে ইবুক রাইটিং করার জন্য কাজ করতে হবে। তবে ই-বুক রাইটিং কমপ্লিট হয়ে গেলে আপনি সেটি বিভিন্ন প্লাটফর্মে বিক্রি করে কোন কাজ না করেই পরবর্তীতে সারা জীবন টাকা ইনকাম করতে পারবেন। মূলত আপনার বানানো ই-বুক যত মানুষ কিনতে থাকবে তত আপনার অটোমেটিক ইনকাম হতে থাকবে।

অনলাইন ট্রেডিং করে ইনকাম - কাজ না করে টাকা ইনকাম

আপনি অনলাইন প্লাটফর্মে ট্রেডিং করে কোন কাজ না করেই সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ট্রেডিং করার জন্য তেমন আপনাকে বেশি কাজ করতে হচ্ছে না। আপনারা যদি ট্রেডিং না করতে পারেন তাহলে একজন ভালো ট্রেডারের সাহায্য নিতে পারেন। ট্রেডিং করতে হলে টাকা ইনভেস্ট করতে হয়। তবে যারা ট্রেডিং পারেন না তারা কখনোই নিজে নিজে ট্রেডিং করবেন না। অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কে না জেনে ট্রেডিং করলে টাকা লস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। 

যদি আপনি একান্তই ট্রেডিং না বুঝে থাকেন তাহলে আপনি ট্রেডিং এক্সপার্ট এর সাহায্য নিয়ে অনলাইন ট্রেডিং করতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশে অনলাইন ট্রেডিং সিগন্যাল দেওয়ার অনেক গ্রুপ রয়েছে। আপনারা চাইলে তাদের পেইড গ্রুপে যোগ হয়ে ট্রেডিং সিগন্যাল নিয়ে অনলাইন ট্রেডিং করতে পারেন। এভাবে আপনি এক্সপার্ট ট্রেডারের সিগনাল নিয়ে কোন রকম লস ছাড়াই অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। অনলাইন ট্রেডিং সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য ইউটিউবে সার্চ করে দেখতে পারেন। সেখানে অনেকেই ট্রেডিং কিভাবে করতে হয় তা ফ্রিতে শিখিয়ে থাকে।

Youtube চ্যানেল থেকে ইনকাম

আপনার যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে সেখানে আপনি ভিডিও বানিয়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারেন। আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল থেকে কোন রকম কাজ না করেই টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে প্রথম থেকে আপনাকে ইউটিউব চ্যানেলের জন্য কাজ করতে হবে। কাজ না করা ছাড়া কোনোভাবেই আপনি এই পৃথিবীতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। 

তবে সামান্য পরিমাণ কাজ করেই টাকা আয় করা যায়। আপনি যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে সেখানে প্রতিদিন ভিডিও বানিয়ে থাকেন তাহলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর আপনার আর ভিডিও বানাতে হবে না। তখন আপনি youtube থেকে অটোমেটিক প্রতিদিন ইনকাম করতে থাকবেন। সপ্তাহে একটি করে ভিডিও ইউটিউব চ্যানেলে ছাড়লেই আপনি প্রতি মাসে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।

ইনভেস্টমেন্ট সাইটে টাকা ইনভেস্ট করে ইনকাম

বর্তমানে অনেকগুলো ইনভেস্টমেন্ট রয়েছে যেখানে টাকা ইনভেস্ট করে কোন কাজ না করে টাকা আয় করা যায়। আপনারা চাইলে সেই ইনভেস্টমেন্ট সাইটগুলোতে টাকা ইনভেস্ট করতে পারেন, এখানে তেমন কোন কাজ করতে হয় না শুধু টাকা ইনভেস্ট করলেই নির্দিষ্ট সময় পর সেই টাকার উপরে লাভ পাওয়া যায়। অনেকে আছে যারা শেয়ার মার্কেটে কাজ করে থাকে, যেখানে ইনভেস্ট করতে হয়। 

শেয়ার মার্কেটে কাজ করে অনেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে। শেয়ার মার্কেটে শুধু আপনার টাকা ইনভেস্ট করতে হয় তাছাড়া আর কোন কাজ করতে হয় না। তবে আপনারা ইনভেস্টমেন্ট সাইটগুলোতে কাজ করার পূর্বে সাইটগুলো যাচাই-বাছাই করে নিবেন। কারণ বর্তমানে বেশিরভাগ ইনভেস্টমেন্ট সাইটগুলো টাকা ইনকাম করার নামে প্রতারণা করে থাকে। তাই টাকা ইনভেস্ট করার পূর্বে অবশ্যই জেনে বুঝে ইনভেস্ট করবেন।

বাংলাদেশী অ্যাপ প্রতিদিন 1000 টাকা আয় পেমেন্ট বিকাশ

আপনারা অনেকে আছেন যারা বাংলাদেশী অ্যাপ থেকে প্রতিদিন এক হাজার টাকা আয় করতে চান এবং সেটি বিকাশে পেমেন্ট নিতে চান। এজন্য আমরা আপনাদের কথা বিবেচনা করে আজকের এই অংশে বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে প্রতিদিন 1000 টাকা আয় করার উপায় তুলে ধরব। মূলত বর্তমানের বাংলাদেশী অ্যাপ গুলো থেকে প্রতিদিন খুব সহজেই ১০০০ টাকা আয় করা যায় না। 

বাংলাদেশী অ্যাপ গুলো থেকে টাকা আয় করতে হলে অনেক পরিশ্রম ও ধৈর্য সহকারে কাজ করতে হয়। তবে প্রতিদিন আপনি কখনোই বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে 1000 টাকা আয় করতে পারবেন না। আপনি চাইলে বিদেশী বিভিন্ন ধরনের সাইটে কাজ করে প্রতিদিন অনায়াসেই অনলাইন থেকে এক হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। 

তবে বাংলাদেশি ওয়েবসাইটগুলোতে কাজ করে এক হাজার টাকা আয় করা সম্ভব নয়। তারপরে বর্তমানে বেশির ভাগ বাংলাদেশী অ্যাপ গুলো কাজ করিয়ে নেওয়ার পরে টাকা পেমেন্ট করে থাকে না। যার কারণে বেশিরভাগ গুলোই ভুয়া, টাকা পেমেন্ট করে না। তাই আপনারা বাংলাদেশী সহ সকল ধরনের অ্যাপ গুলোতে কাজ করার পূর্বে যাচাই-বাছাই করে নিবেন। 

আপনি যেই প্লাটফর্মে অথবা যেই অ্যাপ্লিকেশনের কাজ করছেন সেটি টাকা পেমেন্ট করে কিনা সেই সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবেন। তাছাড়াও বাংলাদেশী অ্যাপ গুলো সম্পর্কে রিভিউ দেখে নিবেন। যদি কোন অ্যাপের রিভিউ ভালো পান তাহলে সেই অ্যাপ গুলোতে কাজ করতে পারেন। বাংলাদেশী অ্যাপ গুলোতে সাধারণত প্রতিদিন ১০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করতে পারবেন। 

আর এই ১০০ থেকে ২০০ টাকা আয় করতে আপনাকে অ্যাপগুলোতে প্রচুর কাজ করতে হবে। তাই আমার মতে আপনি যদি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরটি বেছে নিতে পারেন। এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের কাজ করে খুব সহজে অনলাইন থেকে প্রচুর টাকা আয় করা যায়। তাই আপনারা বাংলাদেশি অ্যাপ গুলোতে সময় নষ্ট না করে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করার জন্য ফ্রিল্যান্সিং শিখুন। আপনারা যেহেতু বাংলাদেশী অ্যাপ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন, তাই আমরা এখন টাকা ইনকাম করার বাংলাদেশী অ্যাপের নাম তুলে ধরব।
  • Income Pro
  • Taka Income Pro
  • TakaBdt
  • Pocket Money
  • Online Earn
  • Taka Income game
  • Taka income Korar game
  • Takapura
  • Daily Taka 
উপরে দেখানো অ্যাপ গুলো ছাড়াও আরো অনেক ধরনের বাংলাদেশি টাকা ইনকাম করার অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে। যেখানে এই অ্যাপ্লিকেশন গুলোতে কাজ করে আপনারা প্রতিদিন ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। তবে এখানে আপনাকে ধৈর্য সহকারে পরিশ্রম করে কাজ করতে হবে। এখানে কাজ করতে অনেক সময় লাগে, তাই যাদের হাতে পর্যাপ্ত সময় রয়েছে তারাই এই অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে কাজ করে টাকা আয় করতে পারেন।

শেষ কথা

তাহলে আপনারা আজকের এই পোস্টে কাজ না করে ইনকাম বিকাশে প্রতিদিন পেমেন্ট নেওয়ার উপায় গুলো জানতে পেরেছেন। মূলত আজকের এই পোস্টে কিভাবে আপনি প্যাসিভ ইনকাম করবেন তা সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে। প্যাসিভ ইনকাম মূলত কাজ না করে ইনকাম করাকে বোঝায়। তবে পৃথিবীতে টাকা ইনকাম করতে হলে আপনাকে কিছুটা হলেও কাজ করতেই হবে। একমাত্র কাজ করেই টাকা ইনকাম করা যায়। 

প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ কঠোর পরিশ্রম করে টাকা ইনকাম করছে। আর আপনারা চিন্তা করছেন কিভাবে কাজ না করে টাকা ইনকাম করা যায়। কাজ না করেও টাকা ইনকাম করা যায় তবে আপনাকে প্রথম দিকে হয়তো সামান্য পরিমাণ কাজ করতে হবে। আর আপনাকে জানতে হবে কাজ না করে ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে যা আমরা আজকের এই পুরো পোস্টে তুলে ধরেছি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url