মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত ও মালয়েশিয়া কোন ভিসা ভালো [বিস্তারিত তথ্য]

প্রিয় বন্ধুরা আপনারা অনেকে আছেন যারা মালয়েশিয়া থেকে কাজের উদ্দেশ্যে যেতে চান। তবে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ভিসার প্রয়োজন হয়। তাই অনেকেই মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত এ সম্পর্কে জানতে চান। তাদের কথা চিন্তা করি আমরা আজকের পোস্টটিতে মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত ও মালয়েশিয়া কোন ভিসা ভালো এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরার চেষ্টা করব।
মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত
আর্টিকেলসূচিপত্রঃআপনারা যদি মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত ও মালয়েশিয়া কোন ভিসা ভালো হবে সে সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অবশ্যই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন। কারণ আজকের পোস্টে মালয়েশিয়া ভিসা সম্পর্কিত বিস্তারিত কিছু তথ্য তুলে ধরা হবে।

উপস্থাপনা


আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা মালয়েশিয়া কাজের উদ্দেশ্যে যেতে চান। তবে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিসা রয়েছে।আর মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত এ সম্পর্কে অনেকেই ভালোমতো জানেন না। তাদের জন্যই আমরা আর্টিকেলটিতে মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত হতে পারে এ সম্পর্কে আলোচনা করব। 

তাছাড়াও মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য কোন ভিসা আপনার জন্য ভালো হবে সে সম্পর্কে তুলে ধরা হবে। বর্তমানে কমবেশি সকলেই কাজের জন্য মালয়েশিয়া যেতে চান। তবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পূর্বে ভিসার দাম সম্পর্কিত জেনে নিতে হবে। বলে রাখা ভালো মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য অনেক ধরনের ভিসা পাবেন। প্রত্যেকটি ভিসার জন্য আলাদা ধরনের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে। আপনি চাইলে মালয়েশিয়াতে স্টুডেন্ট স্কলারশিপ নিয়ে যেতে পারবেন। 
আর এ ধরনের স্কলারশিপ ভিসাকে স্টুডেন্ট ভিসা বলা হয়ে থাকে। এছাড়াও কাজের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, ভ্রমণের জন্য টুরিস্ট ভিসা, চিকিৎসার জন্য মেডিকেল ভিসা সহ আরো অনেক ভিসা রয়েছে। প্রত্যেকটি ভিসা করার জন্য আলাদা খরচ রয়েছে। সে সম্পর্কে আমরা পোস্টটিতে বিস্তারিত তুলে ধরব। তাই সকল কিছু বিস্তারিত জানতে শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকুন।

মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন করার নিয়ম

আপনারা চাইলে অতি সহজেই ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার ভিসা আবেদন করতে পারবেন। আপনি কোন ভিসায় মালয়েশিয়ায় যেতে চাচ্ছেন সেই বিষয়টি আগে নির্ধারণ করতে হবে। মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ভিসা প্রয়োজন। আর ভিসার জন্য আপনাকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ফরম পূরণ করতে হবে। ভিসা আবেদন করার জন্য BMET রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তবে রেজিস্ট্রেশন করার পর ভিসার ধরন নির্ধারণ করতে হয়। মালয়েশিয়া ভিসা আপনি তিনটি পদ্ধতিতে আবেদন করতে পারেন।
  • Malaysia e-Visa
  • আমি প্রবাসী app এর মাধ্যমে
  • BMET এর মাধ্যমে
উপরোক্ত তিনটি উপায়ে আপনি মালয়েশিয়ার ভিসা আবেদন করতে পারবেন। এগুলো আপনি অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। চলুন আমরা উপায় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেই।

Malaysia e-Visa: আপনারা কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়াতে যেতে চাইলে এই প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে আবেদন করার জন্য আপনাকে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আপনি অনলাইনে প্রথমেই https://www.imi.gov.my/ওয়েবসাইটটিতে ভিজিট করবেন। এরপর আপনার ভিসার ধরন অনুযায়ী সিলেক্ট করে ফরম ডাউনলোড করতে হবে। 
মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন
এবার ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট করে এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা খরচ পরিশোধ করতে হবে। সকল তথ্য ঠিক থাকলে আপনি খুব দ্রুত মালয়েশিয়া ভিসা পেতে পারেন। তবে বলে রাখি দালালদের থেকে দূরে থাকবেন। দালালরা আপনার সাথে প্রতারণা করতে পারে এজন্য দালালদের সাথে যোগাযোগ করবেন না।

আমি প্রবাসী app এর মাধ্যমে মালয়েশিয়া ভিসা আবেদনঃ বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে আপনি আমি প্রবাসী app এর মাধ্যমে মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য প্রথমেই  Ami Probashi অ্যাপ্লিকেশনটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিতে হবে। এরপর আপনার পাসপোর্ট থাকলে সেটি স্ক্যান করে সকল তথ্য দিয়ে BMET রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আপনার তথ্যগুলো ভেরিফিকেশন করার জন্য ৭২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। 
এজন্য আপনারা আবেদন করার পর অপেক্ষা করবেন। ভেরিফিকেশন হয়ে গেলে আপনাকে ৩০০ টাকা চার্জ দিতে হবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য। এবার এপ্লিকেশনটি ওপেন করুন। application এর উপরের দিকে আপনি চাকরি খোঁজার অপশন পাবেন। মালয়েশিয়ার বিভিন্ন চাকরির বিজ্ঞপ্তি সেখানে দেওয়া থাকবে। এবার আপনি পছন্দ অনুযায়ী চাকরি খোঁজ করে আবেদন করতে হবে। আপনার চাকরির আবেদন একসেপ্ট হলে, মালয়েশিয়া কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

BMET এর মাধ্যমে ভিসা আবেদনঃ আপনারা চাইলে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য বিএমটি এর কার্যালয়ে মালয়েশিয়া ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। বিএমটিতে ভিসা আবেদন করার জন্য আপনার পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে এবং সাথে দক্ষতা ভিত্তিক কাজের সনদপত্র ও পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হবে। বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন জেলাতে ৪২ টি BMET কার্যালয় রয়েছে। 
তাছাড়াও অপরদিকে ১১ টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে ভিসা আবেদন করার সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। তাহলে আপনারা বিএমটি এর কার্যালয়ে গিয়ে অথবা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে আপনার কাজের এক্সপেরিয়েন্স অনুযায়ী আবেদন করতে পারেন। আপনার আবেদনটি কার্যকর হয়েছে কিনা তা আপনি মেসেজের মাধ্যমে অথবা BMET ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পারবেন।

আশা করছি প্রিয় পাঠক আপনারা তাহলে মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন করার বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। আপনাদের একটা কথা মনে রাখতে হবে কখনোই দালাল এজেন্সির মাধ্যমে ভিসারআবেদন করবেন না। দালালদের মাধ্যমে ভিসা আবেদন করলে প্রতারিত হতে পারেন। এজন্য সবসময় বলব সঠিক পদ্ধতিতে আবেদন করুন, আর দালালদের থেকে সাবধান থাকুন।

মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত 

আপনার হয়তো এতক্ষণে মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত এ সম্পর্কে জানার জন্য অপেক্ষা করে রয়েছেন। এজন্য আমরা আজকের এই অংশটিতে মালয়েশিয়া ভিসার দাম সম্পর্কে আনুমানিক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব। মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য মালয়েশিয়া সরকার বিভিন্ন ধরনের ভিসা চালু করেছে। এক্ষেত্রে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিসা ক্যাটাগরি রয়েছে।ভিসার ধরন অনুযায়ী মালয়েশিয়া ভিসার দাম বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে অর্থাৎ প্রত্যেকটি ভিসার জন্য আলাদা চার্জ বরাদ্দ রয়েছে। চলুন জেনে নেই কি কি ভিসাতে মালয়েশিয়া যাওয়া যায়।
  • Medical visa(মেডিকেল ভিসা)
  • Business visa(বিজনেস ভিসা)
  • Factory Visa(ফ্যাক্টরি ভিসা)
  • Work permit visa(ওয়ার্ক পারমিট ভিসা)
  • Company Visa(কোম্পানি ভিসা)
  • Agricultural Visa(কৃষি ভিসা)
  • Calling Visa etc(কলিং ভিসা)
  • Tourist visa(টুরিস্ট বা ভ্রমণ ভিসা)
  • Student visa(স্টুডেন্ট ভিসা)
  • Employment Visa(এমপ্লয়মেন্ট ভিসা)
  • Entry visa(এন্টি ভিসা)
উপরোক্ত যেকোন ভিসাতে আপনি মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে কিছু ভিসাতে যাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে সেগুলো পূরণ করে যেতে হয়। সরকারিভাবে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কাজের উদ্দেশ্যে যেতে আনুমানিক প্রায় ৭৮ হাজার টাকা লাগতে পারে। আপনারা এই ভিসা গুলো বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে নিতে পারেন। তারা আপনাদের ভিসা আবেদন করে রেডি করে দিবে। চলুন এবার মালয়েশিয়া ভিসার দাম গুলো জেনে নেই। নিম্নে মালয়েশিয়া ভিসার আনুমানিক দাম তুলে ধরা হলোঃ
  • আপনারা যদি মালয়েশিয়াতে বেসরকারিভাবে যেতে চান তাহলে ভিসার জন্য খরচ পড়বে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকার কাছাকাছি।
  • স্টুডেন্ট ভিসাতে মালয়েশিয়া যেতে চাইলে আপনাদের ভিসা খরচ পড়তে পারে ২ লক্ষ টাকা থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
  • ওয়ার্ক পারমিট অথবা কাজের ভিসায় মালয়েশিয়া যেতে হলে ভিসার মোট খরচ ৩ লক্ষ থেকে।৫ লক্ষ টাকার পর্যন্ত হতে পারে।
  • আর টুরিস্ট ভিসাতে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য মোট খরচ হবে আনুমানিক ১ লক্ষ টাকা থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
  • কৃষি কাজের জন্য যে ভিসা রয়েছে তার দাম আনুমানিক ৪ লক্ষ টাকা। তবে অনেক সময় দালাল বা এজেন্সির মাধ্যমে তিন লক্ষ টাকায় যাওয়া যায়।
  • মেডিকেল ভিসাতে আপনার খরচ হতে পারে সর্বমোট ১ লক্ষ টাকা।
তবে সরকারীভাবে মালয়েশিয়াতে গেলে আপনার কম খরচ লাগবে। সাধারণত সরকারিভাবে মালয়েশিয়াতে যাওয়ার জন্য খরচ হয় ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু সরকারিভাবে সকলেই মালয়েশিয়াতে যেতে পারবে না। আপনি যদি সুযোগ পান তাহলে কম টাকা দিয়ে যেতে পারবেন। সরকারিভাবে কাজের জন্য মালয়েশিয়াতে যাওয়া যায়। এজন্য আমি বলব আপনি যেকোনো একটি কাজের প্রতি দক্ষতা অর্জন করবেন।

মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসার দাম কত

আপনাদের মত অনেকে আছেন যারা মালয়েশিয়াতে কোম্পানি ভিসাতে যেতে যাচ্ছেন। তারা প্রায় একটি প্রশ্ন করে থাকেন সেটি হল মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসার দাম কত। তাদের কথা চিন্তা করে আমরা এখন মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসার মূল্য কত এ সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করব। মালয়েশিয়াতে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিসা চালু রয়েছে। এর মধ্যে থেকে কোম্পানি ভিসা রয়েছে যেই ভিসাতে আপনি মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন। 

মালয়েশিয়ায় কোম্পানিতে কাজ করার জন্য কোম্পানি ভিসায় যেতে হয়। সাধারণত মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসার দাম ৪ থেকে ৬ লক্ষ টাকা। তবে আপনার যদি পরিচিত এজেন্সি থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি কম টাকাতে যেতে পারবেন। আবার অনেক সময় ভিসার মেয়াদকালের উপর নির্ভর করে দাম কম বেশি হয়ে থাকে। সেজন্য আপনারা ভিসার মেয়াদকাল দেখে আবেদন করবেন। আর অবশ্যই সঠিক এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করলে কম খরচে মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন।

মালয়েশিয়া ফ্রি ভিসা

আপনারা মালয়েশিয়াতে সরকারিভাবে ফ্রি ভিসায় যেতে পারেন। ফ্রি ভিসাতে অনেক ধরনের সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। যারা কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়াতে যেতে চাচ্ছেন তারা এই ভিসাতে যেতে পারবেন। সরকার প্রতিবছর মালয়েশিয়া ফ্রি ভিসা আবেদন করার জন্য সুযোগ দিয়ে থাকে। যারা এই আবেদনে সিলেক্ট হয় তারাই মালয়েশিয়াতে ফ্রি ভিসা যেতে পারে। 
ফ্রি ভিসা পাওয়ার জন্য আপনার কাজ করার দক্ষতা থাকতে হবে এবং কাজের এক্সপেরিয়েন্স থাকতে হবে। তবে এক সূত্রে জানা গেছে বর্তমানে সাময়িক সমস্যার কারণে মালয়েশিয়া ফ্রি ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার চালু হলে আপনারা আবেদন করার মাধ্যমে ফ্রি ভিসাতে কোনরকম খরচ ছাড়াই মালয়েশিয়াতে যেতে পারবেন।

মালয়েশিয়া কোন ভিসা ভালো

আপনারা অনেকে জানতে চান মালয়েশিয়া কোন ভিসা ভালো।আপনি কি উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া যেতে চান তার ওপর নির্ভর করে কোন ভিসাটি ভালো হবে তা বলা যাবে। অনেকে কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া যেতে চান, তাদের ক্ষেত্রে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সবচেয়ে ভালো হবে। তাছাড়াও ভ্রমণের ক্ষেত্রে টুরিস্ট ভিসা রয়েছে। আর স্টুডেন্টদের ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যেতে চাইলে তাদের জন্য স্কলারশিপ স্টুডেন্ট ভিসা রয়েছে। 
যেখানে কম খরচেই স্টুডেন্ট ভিসায় মালয়েশিয়ায় যাওয়া যায়। এর পাশাপাশি মালয়েশিয়া ফ্রি ভিসা ও মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসা রয়েছে। বর্তমানে মালয়েশিয়া ফ্রি ভিসা বন্ধ থাকার কারণে আপনারা মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসাতে যেতে পারেন। কোম্পানি ভিসাতে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়। তবে কোম্পানি যদি খারাপ হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় না। 

সর্বশেষে বলা যায় আপনি যদি কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া যেতে চান তাহলে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা অথবা কোম্পানি ভিসাতে যেতে পারেন। কোম্পানি ভিসাতে গেলে কোম্পানি মালিক আপনার সকল খরচ বহন করবে, তাছাড়াও থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে। আরো অনেক ধরনের সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। আশা করছি আপনারা বুঝতে পেরেছেন কোন মালয়েশিয়া ভিসাটি আপনার জন্য ভালো হবে।

মালয়েশিয়া ভিসা ফি দেওয়ার নিয়ম

অনেকে আপনারা মালয়েশিয়া ভিসা ফি দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান। এজন্য আপনাদের কথা ভেবে আমরা এখন আজকের এই অংশে মালয়েশিয়া ভিসা ফি কিভাবে দিতে হয় সেই নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করব। মালয়েশিয়া ভিসা খরচ আপনি অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। 

সরকারি ওয়েবসাইট অথবা এজেন্সিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভিসা ফি দেওয়া যায়। প্রত্যেকটি ভিসা করার জন্য ভিসা প্রসেসিং ফি রয়েছে। আপনাদের আগে ভিসা প্রসেসিং ফি কত সেটি জেনে ভিসা খরচ দিতে হবে। নিম্নে কিছু ভিসার প্রসেসিং ফি কত তা দেওয়া হলোঃ
  • আমাদের জানামতে বিজনেস ভিসা প্রসেসিং খরচ ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা লাগতে পারে।
  • তাছাড়াও মেডিকেল ভিসার প্রসেসিং খরচ একই ৭০০০ টাকার মতো লাগতে পারে।
  • এন্টি ভিসার ক্ষেত্রে প্রসেসিং খরচ বাংলাদেশী টাকায় ২৮২০ টাকা। তবে অনেক সময় বিভিন্ন কারণে ভিসার প্রসেসিং খরচ কম বেশি বেড়ে যেতে পারে।
  • আর সাধারণত এমপ্লয়মেন্ট ভিসার প্রসেসিং খরচ ৫ হাজার টাকা থেকে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকার মধ্যে এমপ্লয়মেন্ট ভিসা প্রসেসিং কমপ্লিট হয়ে যায়।
এ ছাড়া আরও অনেক ধরনের ভিসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম ভিসা প্রসেসিং চার্জ রয়েছে। সেগুলো আপনারা এজেন্সির মাধ্যমে জেনে নিবেন। আর আপনি এই ভিসা প্রসেসিং খরচ অনলাইন এর মাধ্যমে দিতে পারবেন। এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা হলে আপনারা তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং খরচ দিতে পারবেন।

মালয়েশিয়া ভিসা সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসা(FAQ)

প্রশ্নঃমালয়েশিয়ার ভিসার মূল্য কত?
উত্তরঃ মালয়েশিয়া প্রত্যেকটি ভিসার মূল্য ২ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে অর্থাৎ প্রত্যেকটি ভিসা খরচ লাগতে পারে ২ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু সরকারিভাবে মালয়েশিয়াতে যাওয়ার জন্য ভিসার মূল্য ৭৮ হাজার ৯০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রশ্নঃমালয়েশিয়া মাসিক বেতন কত?
উত্তরঃ মালয়েশিয়াতে বিভিন্ন কাজের জন্য আলাদা আলাদা বেতন দেওয়া হয়ে থাকে। কনস্ট্রাকশন কাজের কথা চিন্তা করলে, আপনি মালয়েশিয়াতে কনস্ট্রাকশন কাজ করে মাসিক ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেতন পেতে পারেন।

প্রশ্নঃমালয়েশিয়া ভিসা পেতে কতদিন লাগে?
উত্তরঃ সাধারণত মালয়েশিয়া ভিসা পেতে তিন থেকে চার দিন সময় লাগে। তবে অনেক ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া ভিসা পেতে সাত দিন বা এক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

প্রশ্নঃমালয়েশিয়া ই ভিসার খরচ কত?
উত্তরঃমালয়েশিয়া ই ভিসার খরচ 99 SGD।

প্রশ্নঃ মালয়েশিয়ার বেসিক বেতন কত?
উত্তরঃ মালয়েশিয়ার বেসিক বেতন ২৫ হাজার টাকা। তবে কাজের ধরন অনুযায়ী বেতন কমবেশি হয়ে থাকে। বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন রকম বেতন দেওয়া হয়।

শেষ কথা

আশা করছি আপনারা আজকের এই পুরো পোস্টটিতে মালয়েশিয়া ভিসার দাম কত ও মালয়েশিয়া কোন ভিসা ভালো এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যগুলো জানতে পেরেছেন। এর পাশাপাশি মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসার দাম কত ও মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কেও জানতে পারলেন। মূলত পোস্টটিতে মালয়েশিয়া ভিসা সম্পর্কিত সকল তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আপনারা যদি মালয়েশিয়া যেতে চান তাহলে অবশ্যই সঠিক ভিসাতে যাবেন। আর মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য ভিসার প্রয়োজন হলে সরকার এজেন্সি অথবা বেসরকারি এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করে যাবেন। কোন দ্বিতীয় পক্ষ দালালের সাথে যোগাযোগ করবেন না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url